
আব্দুল মান্নান সিদ্দিকী
মুন্সিগঞ্জ শ্রীনগর উপজেলার বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় বিকেল হতে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত ইফতার সামগ্রী পাওয়া গেলেওরেস্তোরা তুলনায় ফুটপাতের ভাসমান দোকানে ক্রেতাদের ভিড়একটু বেশি ভাসমান দোকানিরা বাহারি পসরায় সাজিয়েছেন।এসব দোকানে পাওয়া যাচ্ছে,পেঁয়াজু ,বেগুনি আলুর চপ,জিলাপি সহ বিভিন্ন প্রকার ইফতার সামগ্রী।রেস্তোরাঁর তুলনায় এসব দোকানে ইফতার সামগ্রী দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় নিম্ন আয়েরক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় এসব ভাসমানদোকান ।
ক্রেতা আব্দুল কাদের জানান ,রেস্তোরার তুলনায় ফুটপাতে ইফতারের সামগ্রী মান খারাপ নয়।দামের দিক দিয়েও সাশ্রয়ী ।তাই তিনি এ ভাসমান দোকান হতে তার প্রয়োজনীয় ইফতার ক্রয় করলেন ।
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরের আল আমিন বাজারে বাজার কমিটির সেক্রেটারি আজিজ পুলিশের দোকানের সামনে ফুটপাতে ভাসমান ইফতার সামগ্রী দোকানি আছালত বয়াতি জানান,তার বাড়ি শরীয়তপুর দীর্ঘ ২২ বছর যাবত শ্রীনগর বসবাস করছেন ।তিনি ভাসমান দোকানি হিসেবে বিভিন্ন মেলাতে এসব সামগ্রী বিক্রয় করে থাকেন।তার দোকানে প্রতি কেজি জিলাপি ২০০ টাকা ,পিয়াজু২৫০ টাকা ,প্রতি পিচ ডিমের চপ ১০ টাকা ,আলুর চপ ৫ টাকা ,রোল ২০ টাকা ।বেগুনি পাঁচ টাকা , রেস্তোরাঁ তুলনায় সাশ্রয়ী হওয়ায় ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে।রেস্তোরার তুলনায় তার তৈরিকৃত ইফতার সামগ্রী মান ও খারাপ নয় ।তিনি শুকরিয়া আদায় করে বলেন , আলহামদুলিল্লাহ ক্রেতাদের উপস্থিতি ও বিক্রিতে তিনি সন্তুষ্ট ।
মাহে রমজানে ইফতার সামগ্রী বিক্রি করে যে আয় হচ্ছে তা দিয়ে তার সংসার ভালোভাবেই চলছে। ,









